মালদা

রাজস্থানে শ্রমিক খুনের ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো রাজ্য সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা প্রাশান্ত দাস ঃ নিহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। রাজস্থানে নৃশংস ভাবে শ্রমিক খুনের ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবার। সেই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শোকস্তব্ধ পরিবারের সঙ্গে মোবাইল ফোন মারফৎ কথা বলেছেন। ঘটনার খবর পেয়ে ওই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা শাসক ও জেলার পুলিশ অর্ণব ঘোষ। নিহত পরিবারের হাতে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন যুব তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ মণ্ডল। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওই পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। খুনের ঘটনায় গ্রামে রয়েছে চাপা উত্তেজনা। পরিবারের লোক থেকে গ্রামের প্রত্যেকেই অভিযুক্তর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। 

     প্রসঙ্গত, মালদা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে কালিয়াচক থানার জালুয়াবাধাল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সৈয়দপুর গ্রামে। মুলত এই গ্রামের অর্থনীতি হল মহিলারা বাড়িতে বিড়ি বাঁধে, গ্রামে রেশম গুঁটির চাষ হয়। কালিয়াচক এলাকার অন্যান্য গ্রামের মতো এই গ্রামের মানুষেরা দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রান্তে নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ করতে যায়। এই রকমই এই গ্রামের বাসিন্দা আফরাজুল খানের বাড়িতে রয়েছে স্ত্রী গুলমোহর বিবি। বাড়িতে তার তিন মেয়ে। বড় মেয়ে জ্যোৎস্নারা বিবি ও মেজো মেয়ে রেজিনা খাতুনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ে হাবিবা খাতুন জালালপুর হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। সে জানায় তার বাবাকে যারা নৃশংস ভাবে খুন করেছে তাদের শাস্তি চায়। 

    যুব তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, মাননীয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা ওই নিহত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তার হাতে ১ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিয়েছি। 

    এরপর আজ সন্ধ্যার সময় তার কফিন বন্দি দেহ গ্রামে নিয়ে আসা হয়। মৃতদেহ কে ঘিরে গ্রামবাসীরা ভির জমান। গ্রামবাসীদের দাবি যেন আফরাজুল খান এর খুনিদের কঠোর শাস্তি হয়।  
 
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে 
https://www.youtube.com/embed/TMEQEaOjhd4